ফুলকপি,  বাঁধাকপি,  ব্রকোলি - এ জাতীয় উদ্ভিদ গুলোকে কোল্‌ ক্রপস বা কপি জাতীয় উদ্ভিদ বলা হয়ে থাকে।

বৈচিত্র্যময় স্বাদ এবং পুষ্টিগুণসমৃদ্ধ  হওয়ার কারণে সব সবজি চাষাবাদের জন্য অত্যন্ত জনপ্রিয়। সাধারণত এই জাতীয় সবজি হেমন্ত এবং বসন্তের শুরুর সময় চাষ করা উত্তম এবং শীত/বসন্তের শেষ এর দিকে এদের ফলন সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।  এ জাতীয় উদ্ভিদের বহু সংখ্যক প্রজাতির পাওয়া যায় এবং সাধারণত রং এবং আকার অনুযায়ী এদের মাঝে পার্থক্য সনাক্ত করা যেতে পারে।

এ শ্রেণীর প্রায় সকল উদ্ভিদ প্রচুর পুষ্টিকর উপাদান ধারণ করে বলে প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অনেকেই এ জাতীয় সবজির কোন না কোনোটি কে অন্তর্ভুক্ত করেন।

নিম্নোক্ত বিষয়গুলো খেয়াল রাখার মাধ্যমে সহজেই কবে জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করা যেতে পারে-

পেঁয়াজ রসুন স্যালুট ইত্যাদির উদ্ভিদ হল অ্যালিয়াম শ্রেণীর অন্তর্গত। এদের তীব্র এবং ঝাঁঝালো স্বাদের জন্য দীর্ঘদিন যাবত এসব উদ্ভিদ এর বিভিন্ন অংশ প্রতিনিয়তই রান্নার কাজে ব্যবহৃত করা হয়ে থাকে। এ কারণে বাগান করার ক্ষেত্রে অনেকেই শখ করে অ্যালিয়াম শ্রেণীর উদ্ভিদ রোপণ করে থাকেন এবং মোটামুটি অল্প জায়গা থেকেই বেশ ভালো পরিমাণ ফলন পাওয়া সম্ভব হয়।

অ্যালিয়াম উদ্ভিদ চাষের ক্ষেত্রে নিম্নোক্ত বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা উচিতঃ

ইতিহাস থেকে জানা যায়, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ দীর্ঘ সময় যাবত বিভিন্ন রন্ধন প্রণালী, ঔষধি এবং অন্যান্য আনুষঙ্গিক জিনিস ও পদার্থ তৈরিতে ব্যবহৃত হতো। সে সময় গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করা ছিল মানুষের প্রয়োজন। 

এমনকি, গত শতাব্দীতে বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন সুগন্ধি, ঔষধ এবং রঞ্জক পদার্থ উৎপন্ন করতে বিভিন্ন গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের সাহায্য নেওয়া শুরু করেন কারণ, ল্যাবরেটরীতে তৈরি করার পরিবর্তে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের নির্যাস থেকে বিভিন্ন পদার্থ তৈরি করা তুলনামূলক সহজ এবং কম ব্যয়বহুলও বটে। 

সময়ের সাথে সাথে বিভিন্ন গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ থেকে তৈরি সুগন্ধি জনপ্রিয়তা পেতে শুরু করে এবং বর্তমানেও আমাদের পরিচিত সচরাচর বিভিন্ন সুগন্ধির মূলে রয়েছে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের নির্যাস।

জীবন বিজ্ঞানের মতে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ হল একটি বিশেষ প্রজাতির উদ্ভিদ যাদের কান্ড কাষ্ঠল না হয়ে তুলনামূলক কোমল এবং সতেজ হয়ে থাকে। তবে এই সংজ্ঞা সকল উদ্ভিদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়, কিছু ব্যতিক্রমও লক্ষ্য করা যেয়ে থাকে। 

কেন গুল্মজাতীয় উদ্ভিদ চাষ করবেন?

গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বৈচিত্র্যময় হয়ে থাকে। এদের যেমন আছে সৌন্দর্য, তেমনভাবেই এদের রয়েছে বিভিন্ন ব্যবহার।

[quads id=1]

অন্যান্য উদ্ভিদের তুলনায় গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করা সহজ এবং বিশেষ করে যারা নতুন করে বাগান করা শুরু করেছেন, তাদের গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ দিয়েই শুরু করা উচিত।

গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বিভিন্নভাবে বাগানের অন্যান্য উদ্ভিদকে সাহায্য করতে পারে। কিছু প্রজাতির গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ বিভিন্ন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ দমন করতে সাহায্য করে এবং তারই সাথে বিভিন্ন উপকারী পতঙ্গ কে আকৃষ্ট করা যাতে সব মিলিয়ে বাগানের সকল উদ্ভিদের বিভিন্ন উপকার হয়।

গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষের আরো একটি বড় সুবিধা হল- অধিকাংশ গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদকে বিভিন্ন ভাবে ভাবে রান্নায় ব্যবহার করা যায়। 

[quads id=1]

এদের বৈচিত্র্যপূর্ণ পুষ্টিগুণ এবং ঔষধি গুণের কারণে রান্নায় ব্যবহার করার জন্য একটি ভালো উপাদান হিসেবে গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদের খ্যাতি রয়েছে ।

গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষের আরও একটি সুবিধা রয়েছে যা হলো- এদের বৃদ্ধি সীমিত আকারে হওয়ার কারণে অতি অল্প জায়গায় গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করা যায় এবং আপনার যদি ইতিমধ্যে একটি বাগান থেকে থাকে যেখানে আপনি অন্যান্য গাছ চাষ করেন তাহলে খুব সহজেই সেইসব গাছের সাথেই গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করতে পারবেন। 

এমনকি কেউ যদি শখের বশে বিভিন্ন পাত্র বা কন্টেইনারে কোন জাতীয় উদ্ভিদ চাষ করতে চায় সেটাও সহজেই বাস্তবায়ন করা সম্ভব।

[quads id=1]

আরোহী লতা হলো সে ধরনের গাছ যেগুলো সাধারণত খুবই অল্প জায়গা জুড়ে উচ্চতা বরাবর বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং সাধারণত কোন অবলম্বন দেয়াল ঘেঁষে এরা বাড়তে থাকে। 

আরোহী লতা মূলত অল্প জায়গা দিয়ে তৈরি বাগানের জন্য বেশি উপযুক্ত। এছাড়াও, পুরনো দেওয়াল বরাবর যদি এদেরকে রোপন করা হয়, তাহলে আরোহী লতা সহজেই সেই পুরাতন দেওয়াল ঘেষে বাড়তে থাকে। এর মাধ্যমে আরোহী লতার ফুল-ফলের জন্য দেয়ালটির সৌন্দর্য বৃদ্ধি পেয়ে যায়।

শুধুমাত্র দেওয়াল নয়, মাটিতে গেঁথে দেওয়া বিভিন্ন চিকন লাঠির মাধ্যমেও আরোহী লতার অবলম্বন দেওয়া যায়। 

আরোহী লতা বিভিন্ন ঋতু অনুযায়ী পাওয়া যায়। 

অনেক সময় ফলমূল বা সবজির আশায় আরোহী লতা চাষ করা হয়ে থাকলেও অনেকেই শখ করে বা সৌন্দর্য বৃদ্ধির জন্য আরোহী লতা চাষ করে থাকেন। এক্ষেত্রে যেসব আরোহী লতার রং-বেরংয়ের ফুল হয়ে থাকে, সেসব প্রজাতির আরোহী লতা বাছাই করা হয়ে থাকে। রোপণ করার উপযুক্ত সময় হল গ্রীষ্মকাল এবং বসন্তকাল।

সচরাচর আরোহী লতার ১২০ টিরও বেশী গোত্র পাওয়া যায় সেগুলোর অধিকাংশই বাগানের জন্য উপযুক্ত।

কিছু ক্ষেত্রে সরাসরি বাগানে মাটির পরিবর্তে, মাঝারি থেকে বড় মাপের একটি পাত্রে মাটি নিয়ে সেটিতেও আরোহী লতা রোপন করা যায় কিন্তু এক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হয় যে আরোহী লতা যেন খুব সহজেই অবলম্বন ঘেঁষে বড় হওয়ার সুযোগ পায়। সাধারণ উদ্ভিদের চেয়ে আরোহী লতা সাধারণত একটু দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে থাকে এবং এদের বৃদ্ধির উচ্চতা বরাবর হয়ে থাকে।

এদের প্রস্থ সাধারণত খুব একটা বৃদ্ধি পায় না কিছু কিছু ক্ষেত্রে আমাদের পরিচিত বিভিন্ন বৃক্ষের ও আরোহী প্রজাতি খুঁজে পাওয়া যায়। কিন্তু বৃদ্ধিগত কারণে এদের ফুল এবং ফলে কিছু তারতম্য হতে পারে।

আরোহী লতারও সাধারণ বৃক্ষের মতো পর্যাপ্ত পরিমাণ সূর্যের আলো এবং পানির প্রয়োজন হয় যদিও গোত্র ভেদে কোন কোন প্রজাতির সূর্যের আলো বেশী বা কম প্রয়োজন হতে পারে।

অন্যান্যদের মতোই আরোহী লতারও সময়ে সময়ে ছাঁটাইয়ের প্রয়োজন হতে পারে।অনেক ক্ষেত্রে আরোহী লতার উচ্চতার কারণে উঁচুতে অবস্থিত পাতাগুলোতে বিভিন্ন কীটপতঙ্গের উৎপাত হতে পারে সে ক্ষেত্রে ভালমতো খেয়াল রেখে আক্রান্ত পাতা বা শাখা-প্রশাখা কেটে ফেলা উত্তম।

সচরাচর যেসব আরোহী লতা দেখা যায় তার মাঝে শিম, লাউ এবং বিভিন্ন প্রজাতির ফুল সবচেয়ে বেশি প্রচলিত।

গোত্র অনুযায়ী আরোহী লতা একবর্ষজীবী বা বহুবর্ষজীবী হয়ে থাকতে পারে।আরোহী লতা তাদের জন্য উপযুক্ত যারাঃ

আরোহী লতার গোত্র অনুযায়ী বিভিন্ন সার ব্যবহার করা যেতে পারে কিন্তু সাধারণত কম্পোস্ট সার আরোহী লতার ক্ষেত্রে বেশি ভালোভাবে কাজ করে।

অর্গানিক উপায়ে যারা বাগান তৈরী করতে চান তারা সাধারনত প্রকৃতিকে মাপকাঠি ধরে ঠিক একই রকম করে বৈচিত্র্যময় এবং বিভিন্ন প্রজাতির গাছ লাগিয়ে থাকেন।প্রাকৃতিক ভাবে জন্মানো উদ্ভিদের মধ্যে বৃক্ষ, গুল্ম, একবর্ষজীবী এবং বহুবর্ষজীবী গাছ অন্তর্গত। এরকম বিভিন্ন প্রজাতির গাছপালা একসাথে বাগানে লাগালে প্রতিটি প্রজাতি প্রজাতিকে বেঁচে থাকতে বিভিন্নভাবে সাহায্য করে।

যখন মনোকালচার এ মন কালচারের কৃত্রিমভাবে একটি নির্দিষ্ট প্রজাতির গাছের বিশাল একটি কলোনি জন্মানো হয় তখন সেখানে উদ্ভিদগুলো বৈচিত্র্যময় গাছপালার প্রজাতির যে সুবিধা সেগুলো থেকে বঞ্চিত হয়। এক্ষেত্রে যখন পোকামাকড় এবং কীটপতঙ্গ একটি গাছ কে আক্রমণ করে তখন সেখান থেকে পুরো বাগানের বাকি গাছগুলোতে খুব সহজেই অসুখ ছড়িয়ে যায়। এবং এরপর গাছগুলো মাটি থেকে পুষ্টি উপাদান খুব দ্রুত গ্রাস করতে থাকে। উদাহরণ হিসেবে বলা যেতে পারে আমেরিকান বেদারু জাতীয় বৃক্ষের কথা। এই গাছটি পুরো দেশ জুড়ে রাস্তার পাশে লাগানো হয়েছিল। কিন্তু ১৯২০ সালের শেষের দিকে যখন ডাচ বেদারু অসুখ ছড়াতে শুরু করে তখন এই অসুখ এর বাহক গুবরে পোকা গাছ থেকে গাছের শিকড়ে উড়ে গিয়ে অসুখ ছড়াতে থাকে।

অনেক কৃষক এবং যারা বাগান করেন তারা একই জমিতে বিভিন্ন ধরনের বৈচিত্র্যময় গাছ লাগানোর সুবিধা ভোগ করতে আগ্রহী। একই জায়গায় পরস্পরকে সহযোগিতা করে এমন গাছ লাগানো বাগান করার জন্য বেশ চমৎকার একটি দিক। আপনি আপনার বাগানে ত্রিপত্র জাতীয় গুল্ম লাগাতে পারেন। এটি বাতাস থেকে নাইট্রোজেন সংগ্রহ করে এর পুষ্টি উপাদান মাটিতে ছড়িয়ে দেয়। এছাড়াও আপনি বড় যে গাছ গুলোর পাতা অনেক বড় এবং নিচে ছায়া হয় সেগুলোর নিচে ছায়াতে জন্মায় এমন গাছ লাগাতে পারেন। এতে করে একই সাথে আপনার বাগানের জমি ঢেকে থাকবে এবং গাছের নিচের মাটিকে ক্ষয়ে যাওয়া থেকে রক্ষা করবে। 

অর্গানিক বাগান সাধারণত নিজে থেকে একটি স্বাস্থ্যবান এবং ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুসংস্থান বজায় রাখার চেষ্টা করে। কারণ উদ্ভিদ প্রজাতি মিলিয়ন বছর ধরে বেড়ে ওঠার নির্দিষ্ট পরিবেশে খাপ খাইয়ে নেয়ার চেষ্টা করে আসছে।  যখন তাদের বেড়ে ওঠার জন্য উপযুক্ত পরিবেশ পাওয়া যায় তখন তারা বেশ সহজ ভাবে বেড়ে ওঠে। যে গাছগুলো বাগান করার জায়গার আলো, ছায়া, পরিবেশ, মাটির ধরণ এবং মাটির আর্দ্রতার সাথে খাপ খাইয়ে নিতে পারবে সেগুলো যদি বাগানে লাগানো হয় তবে আপনি একটি চমৎকার সতেজ,  স্বাস্থ্য সমৃদ্ধ কীটপতঙ্গ বাগানের পরিবেশ তৈরি করতে পারবেন। 

বিবেচনা ও বুদ্ধিমত্তার সাথে গাছ লাগানোর প্রথম পদক্ষেপ হচ্ছে আপনার আশেপাশের পরিবেশের আবহাওয়া সম্পর্কে আপনার জানতে হবে এবং একই সাথে আপনার আশপাশের বিশেষ দিকগুলো সম্পর্কে জ্ঞান রাখতে হবে। এরপরই আপনি সফলভাবে গাছ লাগানোর জায়গায় লাগানোর জন্য গাছ ঠিক করতে পারবেন।

 সঠিক বিবেচনার মাধ্যমে আপনার বাগানে গাছ লাগানোর দ্বিতীয় পদক্ষেপ হচ্ছে আপনার বাগানে যেন চাষযোগ্য স্থায়ী উদ্ভিদ প্রজাতির এবং উপকারী প্রাণীদের সমাজ গড়ে ওঠে সেটি নিশ্চিত করা। প্রকৃতিতে উদ্ভিদ এবং প্রাণী একটি বাস্তুসংস্থানে সমাজের মতন করে অবস্থান করে যেখানে উভয় পক্ষই নিজেদের কার্য সম্পাদন করে এবং এতে করে এক পক্ষের কাজ অপর পক্ষের জীবনকে প্রভাবিত করে। একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুসংস্থানে প্রতিটি গাছ এবং প্রাণী প্রজাতির যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য, পানি এবং থাকার জন্য বাসস্থান থাকা প্রয়োজন। 

একটি ভারসাম্যপূর্ণ বাস্তুসংস্থানের শিকারি প্রাণীদের জন্য যথেষ্ট পরিমান শিকার রয়েছে এবং ঠিক একই ভাবে এই শিকারদের জন্য যথেষ্ট পরিমাণ উদ্ভিদ বা গাছপালা রয়েছে।  যখন একটি বাস্তুসংস্থানের কোন একটি অংশ মারা যায় অথবা বিলুপ্ত হয়ে যায় তখন সেই অংশটি ওপর নির্ভরশীল যেসব গাছপালা কিংবা প্রাণী রয়েছে পরিবেশে তাদের কার্যক্রম ভারসাম্যহীন হয়ে পড়ে। উদাহরণস্বরূপ যদি মৌমাছি বিলুপ্ত হয়ে যায় তবে গাছগুলোর ফুলের পরাগায়ন মৌমাছির মাধ্যমে হয়ে থাকে সেগুলোর পরাগায়ন বন্ধ হয়ে যাবে এবং ফলশ্রুতিতে এই গাছগুলো তাদের বীজ উৎপন্ন করতে পারবে না। আবার যদি গুবরে পোকার মতো শিকারি বিরক্ত হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে এরা যে স্বীকার এর উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে যেমন অ্যাফিড এর পরিমান ভয়াবহ রকমের বৃদ্ধি পাবে। এবং এতে করে বর্ধমান কীট এর কারণে এগুলো যে গাছের উপর নির্ভর করে বেঁচে থাকে সেগুলোর মারাত্মক ক্ষতি হতে পারে।

 অতএব আদর্শ অর্গানিক বাগান তৈরি করার ক্ষেত্রে যথাযথভাবে বিবেচনা করে সঠিক গাছ লাগানোর সিদ্ধান্ত নিতে হবে